মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:০৪ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য জাগরণ সৃষ্টি করবে

ভয়েস প্রতিবেদক:

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য প্রেরণা সৃষ্টি করবে। বিশেষকরে এইসময়ে তরুণ প্রজন্মের কাছে। আজ ১৬ ডিসেম্বর দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের সময় বক্তারা এমন অভিমত জানান। কক্সবাজার সৈকতে বৃহৎ এই ভাস্কর্যটি প্রায় ১০ দিন আগে থেকেই নির্মাণ কাজ চলছিল। যেটির উদ্দেশ্য বঙ্গন্ধুকে সবার কাছে পৌঁছে দেয়া।

উদ্বোধন উপলক্ষে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন- কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু) আসনের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল, জেলা আওয়ীমী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এডভোকেট ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মেয়র মুজিবুর রহমান, পুলিশ সুপার মোঃ হাসানুজ্জামান, বীর মুক্তিযোদ্ধা কামাল হোসেন চৌধুরী, নুরুল আবছার, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রেজাউল করিম, সাংগঠনিক সম্পাদক নাজনীন সরওয়ার কাবেরী, এডভোকেট তাপস রক্ষিত, এডভোকেট রনজিত দাশ, সিভিল সার্জন ডাঃ মাহবুবুর রহমান, জেলা যুবলীগের সভাপতি সোহেল আহম্মেদ বাহাদুর, ব্র্যান্ডিং কক্সবাজারের সমন্বয়ক ইশতিয়াক আহমেদ জয় ও ভাস্কর্য নির্মাণকারী টিম লিডার কামরুল ইসলাম শিপন।
অনুষ্ঠানটির সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন বাংলাদেশ টেলিভিশনের কক্সবাজার প্রতিনিধি জাহেদ সরওয়ার সোহেল।

‘ব্র্যান্ডিং কক্সবাজার’ নামের সংগঠন কর্তৃপক্ষ কক্সবাজার ভয়েসকে জানান, ‘পৃথিবীর বৃহত্তম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার। বাংলাদেশের মানুষের কাছে পৃথিবীর সেরা নেতা বঙ্গবন্ধু। বৃহত্তর জায়গায় সেরা মানুষটিকে সারা পৃথিবীর মানুষকে দেখানোর উদ্দেশ্যেই আমাদের বালু ভাস্কর্য নির্মাণ।’
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের লাবণী পয়েন্টে বালুর ভাস্কর্য নির্মাণ করা হচ্ছে।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ভাস্কর্য নির্মাণে সার্বিক সহযোগিতা করছে ‘ব্র্যান্ডিং কক্সবাজার’ নামে একটি সংগঠন।
ভাস্কর কামরুল হাসান শিপনের নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ের চারুকলা বিভাগের ১০ জন সাবেক শিক্ষার্থী এ ভাস্কর্য নির্মাণ করছে। নির্মাণ প্রায় ১০ দিন সময়ের মাঝে।নির্মাতারা বলছেন, প্রায় ছয় ফুট উচ্চতা ও ১৪ ফুট প্রস্থের ভাস্কর্যটি হবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বালু ভাস্কর্য ।
‘যেহেতু সমুদ্র সৈকত, তাই সৈকতের প্রতিপাদ্য দিয়েই আমরা বালু ভাস্কর্য নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছি। এ যাবৎকালের বাংলাদেশে যত বালুর ভাস্কর্য নির্মাণ হয়েছে তার মধ্যে এটি সবচেয়ে বড়। এটি নির্মাণে সময় লেগেছে প্রায় এক সপ্তাহ।’
‘সময়ের চেয়ে বিশাল তুমি’ প্রতিপাদ্য নিয়ে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে বেলা ১১ টায় কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের লাবনী পয়েন্টে এ বালু ভাস্কর্য উদ্বোধন করা হয়।
এ ভাস্কর্য স্থায়ী হবে আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। পরে প্রশাসনিকভাবে তা বিনষ্ট করে ফেলা হবে।

ভয়েস/জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION